জীবনে আটকে গেলে টেম্পুর মতো দ্রুত রিস্টার্ট দাও

একটা মুহূর্ত কাজে না লাগানোর মানে একটা মুহূর্তের চিরতরে হারিয়ে ফেলা

টাইম রিলেটেড সব লেখার মূল পাতা

অনেক সময় আমাদের জীবন থমকে দাড়ায়। দু-একটা ঝাঁকি দেয়ার চেষ্টা করলেও সামনে এগুতে চায় না। এমন পরিস্থিতিতে টেম্পু রিস্টার্ট পলিসি এপ্লাই করতে হবে। রাস্তায় টেম্পু বন্ধ হয়ে গেলে, প্রথমেই সব যাত্রী টেম্পু থেকে নামায় ফেলতে হয়। তারপর চার-পাঁচজন মিলে টেম্পুর পিছন দিয়ে ধাক্কা দিতে হয়। ধাক্কা দিতে গেলে ফার্স্ট-টাইমে টেম্পু নড়তে চায় না। বেশ কয়েকবার সামনে-পিছনে ঝাঁকি দেয়া লাগে। কয়েকবার ঝাঁকি দেয়ার পর, টেম্পু আস্তে আস্তে সামনের দিকে নড়তে শুরু করে। ওই মুহূর্তে ধাক্কা দেয়া বন্ধ করে দিলে, টেম্পু আবার আগের জায়গায় ফেরত চলে আসে। আর টানা দুই-তিন মিনিট সামনের দিকে ঠেলতে পারলে, ইঞ্জিন একটু একটু করে ফায়ার করা শুরু করবে। একসময় রিস্টার্ট হয়ে যাবে। তারপর টেম্পু হরহরিয়ে চলতে থাকবে।

আপনার লাইফের ইঞ্জিন বন্ধ হয়ে গেলে টেম্পুর যাত্রী নামায় ফেলার মতো করে, আপনার মাথা থেকে সব সমস্যা নামায় ফেলতে হবে। প্রথমেই মাথা হালকা করতে হবে। তারপর আপনার ডেইলি রুটিনকে কয়েকটা ঝাঁকি দিতে হবে। টেম্পু ঝাঁকি দেয়ার মতো করে।

তারপর দৈনিক পাঁচ ঘন্টা করে টানা চারদিন লক্ষ্যের পিছনে নিজেকে ঠেলতে হবে। এক-দুই ঘন্টা করে দুই-এক দিন ঠেলে টায়ার্ড হয়ে গেলে টেম্পুর মতো আপনার লাইফও আগের জায়গায় ফেরত চলে আসবে। সেজন্য কমপক্ষে টানা চারদিন পাঁচ ঘন্টা করে লেগে থাকতে হবে। তখন টেম্পুর ইঞ্জিনে ফায়ার হওয়ার মতো আপনিও একটু একটু করে আশার আলো দেখতে পাবেন। এইভাবে দৈনিক পাঁচ ঘন্টা করে টানা তিন সপ্তাহ চেষ্টা চালাতে পারলে টেম্পুর মতো করে আপনিও লক্ষের দিকে হরহরিয়ে এগিয়ে যাবেন। আপনার সমস্যা কেটে যাবে। লক্ষ্যের পেছনে লেগে থাকাটা অভ্যাসে পরিণত হবে। নিজের অজান্তেই চেষ্টার গতি বাড়বে, ভয় পিছনের দরজা দিয়ে পালাবে, সফলতা এসে দরজার কড়া নাড়াবে।

সঙ্গেই থাকুন::

হুট হাট করে মাঝে মধ্যে লেখা আসবে


FB post




Question or Feedback:

যদি লোকসম্মুখে প্রশ্ন জিগ্গেস করতে বা উপদেশ, বকাঝকা, গালাগালি, হুমকি দিতে সংকোচ লাগে তাইলে ইমেইল করে দেন jhankar.mahbub@gmail.com